আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): লেবাননের প্রতিরোধ ফ্রন্টের নেতাদের শাহাদাতের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন জেনারেল ইসমাইল কায়ানি।
তিনি বলেন, সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর শাহাদাতের এক সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত জুমার নামাজের খুতবায় শহীদ বিপ্লবী নেতা বলেছিলেন, মুসলমানদের ঐক্য তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আর ঐশী প্রজ্ঞার বরকতে এই ঐক্য তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম করে।
কায়ানি আরও বলেন, শহীদ বিপ্লবী নেতা বলেছিলেন, অন্য কোনো জাতির ওপর শত্রুর আগ্রাসনের বিষয়ে প্রতিটি জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে এবং নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। কারণ, শত্রু যদি কোনো একটি স্থানে সফল হয়, তাহলে পরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাবে।
তিনি বলেন, এমন এক সময়ে লেবাননের প্রতিরোধ ফ্রন্টের নেতাদের শাহাদাতের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে, যখন নিজেদের সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা ও সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও মার্কিন বাহিনী ইরাক থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে। ইরাকি জনগণ প্রতিরোধকামী সকল মানুষ ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের বীর যোদ্ধাদের অবদানে অর্জিত এই বিজয় উদ্যাপন করছে।
কায়ানি আরও বলেন, বর্তমানে প্রতিরোধ ফ্রন্টের বিভিন্ন অঙ্গনে ঐক্য প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। প্রতিটি অংশ বিচক্ষণতা ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে শত্রুকে বিস্মিত করছে।
তিনি বলেন, মার্কিনিরা মনে করেছিল, চার দিনের মধ্যে অথবা সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে তারা নিজেদের হিসাব-নিকাশের সম্পূর্ণ বিপরীত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
কায়ানি বলেন, প্রতিরোধের যোদ্ধারা এই অঞ্চলের অন্যতম সংবেদনশীল স্থানে দৃঢ় অবস্থান, বিচক্ষণতা ও সুপরিকল্পিত কৌশল নিয়ে ইরাকে উপস্থিত রয়েছেন এবং নিজেদের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন।
ইরানের কুদস ফোর্সের এই কমান্ডার আরও বলেন, যুদ্ধের চরম মুহূর্তেও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার বন্ধুদের এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়নের শিকার জনগণকে ভুলে যায়নি। ইরান আজ পর্যন্ত তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবে।
Your Comment